যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে তিনি চলতি মাসেই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চীন সফরে যাচ্ছেন। ইরানকে ঘিরে চলমান অচলাবস্থার মধ্যেও সফর স্থগিত করা হবে না বলে তিনি জানান। শুক্রবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকটি অসাধারণ হবে বলে তার প্রত্যাশা। মার্চের শেষ দিকে সফরের প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে তা পিছিয়ে ১৪–১৫ মে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে এই সফর দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠালেও ট্রাম্প এতে সন্তুষ্ট নন। একই সঙ্গে তার প্রশাসন কিউবার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণ এবং জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে, যা ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক জটিল করতে পারে।
চীনা বিশ্লেষকদের মতে, সফরের মূল লক্ষ্য হলো ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ ও সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখা। বিরল খনিজ সরবরাহ, তাইওয়ান প্রণালী ও দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তাৎক্ষণিক বড় কোনো অগ্রগতি না হলেও এটি হবে ভবিষ্যৎ উত্তেজনা এড়ানোর কৌশলগত প্রচেষ্টা।