অর্থনৈতিক চাপের কারণে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে অপ্রয়োজনীয় বা জরুরি নয় এমন প্রশিক্ষণ-মহড়া কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বিদেশে মোতায়েন থাকা বা শিগগির মোতায়েন হতে যাওয়া সেনাদের প্রশিক্ষণ চলবে। যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত এবং নির্দিষ্ট কোনো অভিযানের প্রস্তুতিতে না থাকা ইউনিটগুলোর বড় পরিসরের লাইভ-ফায়ার ও আক্রমণ অনুশীলন বাতিল করা হয়েছে।
বাতিল হওয়া কার্যক্রমের মধ্যে রয়্যাল ট্যাংক রেজিমেন্টের একটি মহড়া রয়েছে। ট্যাংক ও অ্যাপাচি হেলিকপ্টার নিয়ে আরেকটি মহড়াও বাতিল করা হয়েছে। সেনাবাহিনী বলেছে, প্রস্তুতি, দ্রুত মোতায়েন এবং কার্যকর যুদ্ধ সক্ষমতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ড্রোন এবং ড্রোন প্রতিরোধী যুদ্ধকৌশলের মতো আধুনিক প্রশিক্ষণ অব্যাহত থাকবে। সরকার আগামী বছর প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় জাতীয় আয়ের ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৩ শতাংশে নেওয়ার রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে। বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টি প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে কল্যাণ খাতে ব্যয় কমানোর দাবি জানিয়েছে।