২০২৬ সালের ২৯ এপ্রিল ভোর থেকে রাজধানীসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত ও পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা জানিয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে। সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর এবং নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে সকাল ৬টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক ও ড. বজলুর রশিদ পরিস্থিতিকে দুর্যোগপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বজ্রপাত থেকে রক্ষায় জনসচেতনতার আহ্বান জানিয়েছেন। ভোলায় সর্বাধিক ১৫২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে, ফেনি, শ্রীমঙ্গল ও কুমিল্লায়ও ভারী বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৩ মে পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে, মাছধরা নৌকাগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চলমান নিম্নচাপের প্রভাবে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।