ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক হামলা ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেহরান ‘কৌশলগত ধৈর্যের’ নীতি থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাদের মতে, ইরানের উপকূলীয় এলাকা ও তেল ট্যাঙ্কার লক্ষ্য করে হামলার পর দেশটির সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, ইরানের ভূখণ্ড, জ্বালানি স্থাপনা বা তেল ট্যাঙ্কারে হামলার পরিকল্পনা করা যেকোনো দেশের জন্য কঠোর পরিণতি অপেক্ষা করছে, যদিও তারা কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি। সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন, শত্রুপক্ষ সামরিক পদক্ষেপ নিলে তারা ‘নতুন অস্ত্র, নতুন যুদ্ধ পদ্ধতি ও নতুন যুদ্ধক্ষেত্রের বিস্ময়’ দেখতে পাবে। তিনি বলেন, ইরান সম্ভাব্য যেকোনো সংঘাত মোকাবিলায় প্রস্তুত।
তিনি আরও সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থনকারী দেশগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যার মুখে পড়তে পারে, যা আঞ্চলিক বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।