ঢাকার জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রেডিওথেরাপির জন্য রোগীদের দেড় বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। টাঙ্গাইলের আলেয়া বেগম ও কুমিল্লার মকবুল খানের মতো অনেক রোগী চিকিৎসার তারিখ পাচ্ছেন মাসের পর মাস পর, যা তাদের জীবনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে একটি রেডিওথেরাপি কোর্সের খরচ ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা হলেও বেসরকারি হাসপাতালে একই চিকিৎসায় লাগে প্রায় দুই লাখ টাকা, যা অধিকাংশ রোগীর পক্ষে অসম্ভব।
হাসপাতালের আটটি রেডিওথেরাপি মেশিনের মধ্যে মাত্র দুটি সচল, এর একটি প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে। সিটি স্ক্যান, এমআরআই ও মেমোগ্রাফিসহ অর্ধেকের বেশি যন্ত্রপাতি নষ্ট। মৌলিক চিকিৎসাসামগ্রী ও জনবল সংকটের কারণে রোগীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এবং অনেককে হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিতে দেখা যায়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুরোনো যন্ত্রপাতি ও অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে। রেডিওথেরাপি বিভাগে তিন শিফটে সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং যন্ত্রপাতি ও জনবল সংকট নিরসনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে।