Web Analytics
হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু ও রেল অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এসব হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও তেল স্থাপনাসহ বহু বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অন্তত ১৬ জন নিহত হন। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপেও অন্তত ৫০টি স্থানে হামলা চালিয়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। ট্রাম্প ইরানকে ‘সভ্যতা ধ্বংসের’ হুমকি দিলেও হোয়াইট হাউস পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা নাকচ করেছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র রেডলাইন অতিক্রম করলে ইরানের জবাব মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও পৌঁছাবে। ইতিমধ্যে তেহরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে। সৌদি আরব, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি জানিয়েছে। পাকিস্তান কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালালেও অগ্রগতি হয়নি।

সংঘাত বাড়তে থাকায় উভয় পক্ষই বড় আকারের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে তারা এখন পর্যন্ত ইরানের ১৩ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।