গত ১৭ অক্টোবর ফ্রান্সের কয়েকটি শহরে সহিংস বিক্ষোভের পর রাজনৈতিক ইসলামপন্থি সংগঠন এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। লিমোজের ঐতিহাসিক টাউন হলে অগ্নিসংযোগ করা হয়; প্যারিস, মার্সেই ও লিয়নেও অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ গোয়েন্দা তৎপরতা ও পুলিশ মোতায়েনে ঘাটতির কথা স্বীকার করেছেন।
শিক্ষা খাতে অর্থায়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবনতিশীল পরিবেশ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানোয় ফ্রান্সের মুসলিম শিক্ষার্থী সংগঠন ইএমএফ আলোচনায় এসেছে, তবে সহিংসতা উসকে দেওয়া বা পরিচালনায় তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ নেই। ইএমএফ মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। শিক্ষার্থী ইউনিয়ন শিক্ষা নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, আর ইয়েলো ভেস্ট-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলো জ্বালানির দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে।
ফরাসি পার্লামেন্ট আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করে ২০০ তদন্তকারী নিয়োগ দিয়েছে। লিমোজের অগ্নিসংযোগে উগ্র বামপন্থি একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন একজন গ্রেপ্তার হয়েছেন, তবে এতে সামগ্রিক অস্থিরতার কারণ ব্যাখ্যা হয় না। কর্তৃপক্ষকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক অভিযোগের মধ্যে প্রমাণের ভিত্তিতে পার্থক্য নির্ধারণ করতে হবে।