কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়নের তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান। এতে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। স্থানীয়রা জানান, শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমছে ও ঝরে পড়ার হার বাড়ছে। সরেজমিন দেখা গেছে, একজন শিক্ষককে একাধিক শ্রেণির ক্লাস ও অফিসের কাজ একাই সামলাতে হচ্ছে, অন্যদিকে কেউ কেউ দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত বা ডেপুটেশনে রয়েছেন।
চর মুদাফৎ কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত, আরেকজন শিক্ষক ডেপুটেশনে থাকায় একজন সহকারী শিক্ষক সব ক্লাস নিচ্ছেন। দক্ষিণ নটারকান্দি বিদ্যালয়েও একই অবস্থা, শিক্ষক সংকটে দুপুরেই ছুটি দিতে হয়। চিলমারীর ৯৩টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭৪টি পদ শূন্য, যার বেশিরভাগই চরাঞ্চলে।
উপজেলা ও বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যাতায়াতের অসুবিধার কারণে শিক্ষকরা চরাঞ্চলে থাকতে চান না। তারা অনুপস্থিত বা বদলি হয়ে যান। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুপস্থিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যৎ নিয়োগে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।