কুমিল্লার কিশোরী তাজমিন আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার কথিত প্রেমিক রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে, ২০, কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে রোববার রাত ১০টার দিকে আটক করেছে পুলিশ। সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাজুই তাজমিনকে ফুসলিয়ে কক্সবাজারে নিয়ে গিয়েছিলেন।
গত বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর উত্তরপাড়ার মানুমুড়া জঙ্গলসংলগ্ন জমি থেকে তাজমিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের পাশে পাওয়া আইকনিক এন্টারপ্রাইজের বাসের টিকিটের সূত্র ধরে পুলিশ কলাতলীর একটি এজেন্ট কাউন্টারে পৌঁছায়। কাউন্টারের পরিচালক জানান, মঙ্গলবার রাতে ২০ বছর বয়সি এক তরুণ এক কিশোরীকে নিয়ে টিকিট কাটেন এবং তাকে বান্ধবী হিসেবে পরিচয় দেন।
হোটেলের সিসিটিভি ও নথিতে দেখা যায়, ৬ অক্টোবর রাজুর সঙ্গে স্ত্রী পরিচয়ে তাজমিন ৩০২ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন এবং পরদিন বেরিয়ে যান। পুলিশ বলছে, পরে অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন। সুমন চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার হন, তার দেখানো স্থান থেকে তাজমিনের আইফোন উদ্ধার হয় এবং তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। অন্যদের সম্পৃক্ততা যাচাইয়ে ডিজিটাল প্রমাণ ও কল লিস্ট বিশ্লেষণ চলছে।