যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইরান কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলা বাড়িয়েছে। আলজাজিরা জানায়, তেহরান সরাসরি মার্কিন নৌবহর বা ইসরাইলকে লক্ষ্য না করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এই কৌশল নিয়েছে। মার্কিন হামলায় ইরানের রেলপথ, বিদ্যুৎকেন্দ্র, টেলিযোগাযোগ ও পানির সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর এসব হামলা চালায়।
লেবাননের বিশ্লেষক ইলিয়াস হান্না বলেন, মার্কিন নৌবহরে হামলা সামরিকভাবে কঠিন এবং তাতে ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া আসতে পারে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের আতিফে তাঘিয়ানি দাবি করেন, উপসাগরীয় ঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাচ্ছে, তাই ইরানের পাল্টা হামলার অধিকার আছে। তবে কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল্লাহ আল-শায়জি একে প্রচারণা বলে উড়িয়ে দিয়ে বলেন, এসব হামলা মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে চালানো হচ্ছে এবং উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া এই সংঘাতে ইরান এখন সরাসরি মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়িয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগের নীতি নিচ্ছে।