সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলার হুমকি দিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকে প্রশ্ন করা হয়, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু বা তেল স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে কিনা। জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি এ নিয়ে “একদমই চিন্তিত নন” এবং যুক্তি দেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়াই আসল যুদ্ধাপরাধ।
এর আগে তিনি সতর্ক করেছিলেন, ইরান যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি না খোলে, তবে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এমন হামলা সরাসরি বেসামরিক জনগণের ওপর প্রভাব ফেলবে। মানবাধিকার সংগঠন ও মার্কিন রাজনীতিকরা ট্রাম্পের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ইয়াসামিন আনসারি তাকে “অবৈধ যুদ্ধ” উসকে দেওয়ার অভিযোগ এনে অভিশংসনের প্রস্তাবের কথা বলেছেন। সিনেটর চাক শুমার ও ক্রিস মারফিও তার বক্তব্যকে বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন।
এমনকি ঘনিষ্ঠ মিত্র মার্জোরি টেইলর গ্রিনও ট্রাম্পের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিবের দপ্তর জানিয়েছে, বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে নিষিদ্ধ। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ইরানের সঙ্গে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব বিবেচনায় ছিল, তবে তা অনুমোদিত হয়নি।