দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং সতর্ক করেছেন, ইউক্রেন প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে সিউল আরও পদক্ষেপ নিতে পারে। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বলেন, ইউক্রেনকে ঘটনাটি স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে আটক দুই উত্তর কোরীয় সেনাকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানো হয়েছে বলে গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানানোর পর এ বিরোধ তৈরি হয়।
সিউল বলেছে, যুদ্ধবন্দিদের বিষয়ে তথ্য গোপন রাখা প্রয়োজন ছিল, কারণ প্রকাশ্যে এলে উত্তর কোরিয়ায় থাকা তাদের স্বজনরা হয়রানি বা অন্য ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। জাতিসংঘে জেলেনস্কির বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে দক্ষিণ কোরিয়া ইউক্রেনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়, তবে ইউক্রেন এখনো প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়নি।
লি বলেন, ইউক্রেনের আচরণের কারণে তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে এবং বিষয়টি কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ও এর জনগণের মর্যাদার সঙ্গে জড়িত। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা ঘটনাটিকে কোনো ঘটনা নয়, বরং কূটনৈতিক ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ইউক্রেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকার আশা করেন।