প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার পর আমার দেশ-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জবাবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বা বিটিআরসি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সংস্থাটি লাইসেন্স প্রদান ও কনসোর্টিয়াম গঠনের প্রক্রিয়ার পক্ষে ব্যাখ্যা দিলেও রাজনৈতিক নির্দেশনা এবং লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট মালিকানার অভিযোগের সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, ২০১১ সালের লাইসেন্সিং গাইডলাইন, পরবর্তী সংশোধনী এবং ২০২১ ও ২০২২ সালের উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে আবেদন নেওয়া হয়। ছয়টি প্রস্তাব মূল্যায়নের পর সামিট কমিউনিকেশনস, সিডিনেট কমিউনিকেশনস ও মেটাকোর সাবকম সর্বোচ্চ তিনটি অবস্থান পায় এবং ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে পৃথক লাইসেন্স পায়। পরে সিঙ্গাপুর থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত ট্রাঙ্ক ক্যাবল ও ব্রাঞ্চ ক্যাবলের জন্য তারা যৌথ কনসোর্টিয়াম গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।
লাইসেন্স পাওয়ার ৪৮ মাসের মধ্যে সেবা চালুর শর্ত থাকলেও প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। ছাড়পত্র না পাওয়া ও অনুকূল মৌসুম না থাকার কথা জানিয়ে তারা সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। বিটিআরসি ২৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে। প্রতিবেদনে কনসোর্টিয়াম বিধি, ফাইবার পেয়ার, রুটের শর্ত এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ অমীমাংসিত থাকার কথা বলা হয়েছে।