এই সপ্তাহে এক ইরানি কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধ শেষ করতে নতুন শর্ত হিসেবে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দাবি করেছেন। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। তেহরান এখন এটিকে বার্ষিক শত শত কোটি ডলারের সম্ভাব্য আয়ের উৎস এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।
ইরান দীর্ঘদিন ধরে আক্রমণের ক্ষেত্রে প্রণালি বন্ধের হুমকি দিয়ে আসছে, তবে এবার তারা এই প্রভাবকে স্থায়ীভাবে কাজে লাগাতে চায় বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তাঁর প্রথম ভাষণে বলেছেন, হরমুজ প্রণালির অবরোধের সুযোগ অবশ্যই ব্যবহার করা হবে। ব্লুমবার্গ ইকোনমিকসের দিনা এসফান্দিয়ারি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখা কতটা সহজ তা দেখে ইরান বিস্মিত হয়েছে।
সিএনএনের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রতিটি বড় তেলবাহী ট্যাংকার থেকে ২০ লাখ ডলার ফি আদায় করতে পারলে ইরানের মাসিক আয় ৮০ কোটি ডলারেরও বেশি হতে পারে, যা মিশরের সুয়েজ খালের আয়ের চেয়েও বেশি।