ইয়েমেনের আনসারুল্লাহর লোহিত সাগরকেন্দ্রিক তৎপরতা গাজার মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সক্ষমতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা নিয়ে বিতর্ক তীব্র করেছে। সূত্রে বলা হয়েছে, বহু আরব রাষ্ট্রের বড় সেনাবাহিনী, আধুনিক যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা, বিদেশি ঘাঁটি ও বড় প্রতিরক্ষা বাজেট থাকলেও তারা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। বিপরীতে আনসারুল্লাহ গাজার সঙ্গে নিজেদের সামরিক অবস্থান যুক্ত করে লোহিত সাগরে প্রতিপক্ষের ওপর মূল্য আরোপ করেছে।
প্রতিবেদনটি বলছে, ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল ও বাব আল-মান্দাবের কাছে আনসারুল্লাহর শক্তিশালী অবস্থান আঞ্চলিক শক্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতার ধারণা বদলেছে। এতে বলা হয়, সামরিক শক্তি শুধু অস্ত্র বা প্রযুক্তিনির্ভর নয়; যোদ্ধাদের উদ্দেশ্য, অঙ্গীকার ও আত্মত্যাগের প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ। ইয়েমেন যুদ্ধে বিপুল ব্যয়, উন্নত সরঞ্জাম ও পশ্চিমা সহায়তা সত্ত্বেও সৌদি আরব কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি বলেও সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব এবং ইয়েমেনে আনসারুল্লাহর অবস্থান সৌদি আরবকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডর ঘিরে চাপের মুখে ফেলেছে। হামলার পর পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে। নিবন্ধটির উপসংহার, এই তুলনা আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক বৈধতার সংকটকে দৃশ্যমান করেছে।