সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ২০২৬ সালে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকট এবং অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন। কয়েক সপ্তাহের হামলার পর ১৯ অক্টোবর সৌদি আরব তার বার্ষিক ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ সম্মেলন স্থগিত করে। রিয়াদসহ বিভিন্ন শহরে হামলায় প্রায় ২০ জন নিহত হয়েছেন এবং রাজধানীর বিমানবন্দরও বন্ধ রাখতে হয়েছে। ‘মরুভূমির দাভোস’ নামে পরিচিত সম্মেলনে রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ইরান যুদ্ধ সৌদি আরবের বিদ্যমান বাজেট ঘাটতি, নিরাপত্তা উদ্বেগ ও বিনিয়োগ প্রকল্পে কাটছাঁটের চাপ বাড়িয়েছে। সরকারি ব্যয় তেলের রাজস্বের চেয়ে দ্রুত বাড়ছে এবং সরকারি ঋণও ঊর্ধ্বমুখী। নিওম ভবিষ্যৎ নগর প্রকল্পের ব্যয় ও চুক্তি বাতিল উন্নয়ন পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেছে। ২০৩৪ সালের পুরুষ ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে কিছু পরিকল্পনাও ছোট করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্নে তেলের দাম বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদে ক্রেতারা বিকল্প উৎস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যেতে পারেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও ওয়াশিংটনে সৌদি আরবকে প্রত্যাশিত প্রভাব দিতে পারেনি।