ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনার জন্য ইসলামাবাদ প্রস্তুত হয়েছে। শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং রাস্তা নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান আশাবাদী যে তারা উভয় পক্ষের আস্থা অর্জন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, যিনি বলেছেন, ইরান যদি আন্তরিকভাবে আলোচনা করে, যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করবে, তবে প্রতারণার চেষ্টা করলে ফল ইতিবাচক হবে না।
আলোচনার পথে প্রধান বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে লেবাননে ইসরাইলের হামলা, যা ইরান বলছে আলোচনাকে অর্থহীন করে তুলতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরাইলের হামলা কিছুটা কমেছে এবং আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ইসরাইল-লেবানন সরাসরি আলোচনা হবে। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ ও নতুন নৌপথ চালুর সিদ্ধান্তও যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনার মুখে পড়েছে।
এ ছাড়া পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক মিত্রদের ভূমিকা এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইস্যুতেও দুই দেশের অবস্থান ভিন্ন। ইরান শান্তিপূর্ণ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার দাবি করছে, আর যুক্তরাষ্ট্র তা সম্পূর্ণ বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে। আলোচনার ফলাফল এখনো অনিশ্চিত।