যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক চাপের জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা এবং হরমুজ প্রণালির বাইরে তেল পরিবহন ব্যাহত করার হুমকি দিয়েছে ইরান। সোমবার ওয়াশিংটনে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট ইরানি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর নেটওয়ার্ক লক্ষ্য করে নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, জাহাজ চলাচল ও ইরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপরও নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনে সহায়তাকারী দেশকে ইরান আগ্রাসনে অংশগ্রহণকারী হিসেবে বিবেচনা করবে। তিনি বুলগেরিয়ার ভূখণ্ড থেকে মার্কিন জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান উড্ডয়নের বিষয়টি উল্লেখ করেন। সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের নেতা মোহসেন রেজাই বলেন, অর্থনৈতিক যুদ্ধ চললে পারস্য উপসাগরের কোনো পথ দিয়েই তেল রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না।
তেহরান হরমুজে নিজেদের নিয়ম না মানা ৪৫টি তেলবাহী জাহাজের তালিকা প্রকাশ করেছে এবং জরিমানা, আটক বা জব্দের হুমকি দিয়েছে। ইরানের আইনপ্রণেতারা এনপিটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার একটি বিল নিয়ে আলোচনা করছেন। রেজাই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনাও তুলে ধরেছেন। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইরান অর্থনৈতিকভাবে মানিয়ে নেওয়া ও প্রতিরোধের কৌশল একসঙ্গে নিতে পারে।