২০২৬ সালের ১৩ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা পুলিশের বাধা ও সরকারি আহ্বান উপেক্ষা করে আন্দোলন অব্যাহত রাখে। শাহবাগে পুলিশের ওপর হামলা ও যানবাহন ভাঙচুরের অভিযোগে পুলিশ একটি মামলা করে, তবে কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি। সময় টেলিভিশনের সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগে পৃথক মামলা হয়। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফেরার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে, যার মধ্যে ১৪ জুলাই দেশব্যাপী পদযাত্রা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান অন্তর্ভুক্ত।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহার ও সংসদের জরুরি অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানান। তারা অভিযোগ করেন, পুলিশ ও সরকার-সমর্থিত সংগঠনের কর্মীরা বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ছাত্রনেতারা ৫ শতাংশ কোটা বহাল রেখে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের অন্তর্ভুক্ত রাখার প্রস্তাব দেন, তবে মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিদের কোটা বাতিলের দাবি জানান।
সরকারি মন্ত্রীরা শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে বলেন এবং অভিযোগ করেন, বিরোধী দল আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে। পুলিশ জানায়, আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারীদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ছাত্রলীগ ক্লাস-পরীক্ষা ব্যাহত হলে কঠোর অবস্থানের হুঁশিয়ারি দেয়।