বাংলাদেশে খাদ্যনালীর ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২০ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি বছর প্রায় ২২ হাজার মানুষ এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। ২৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের পর খাদ্যনালীর ক্যান্সারের অবস্থান এবং এ রোগে মৃত্যুর হারও উল্লেখযোগ্য। মুখ থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত খাবার পৌঁছে দেওয়া নলের ভেতরের আবরণে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বা অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধির কারণে এ ক্যান্সার হতে পারে।
শুরুতে শক্ত খাবার গিলতে কষ্ট হতে পারে, যা পরে তরল খাবার বা পানি গিলতেও সমস্যায় রূপ নিতে পারে। পেটব্যথা, ঘন ঘন ঢেকুর, কয়েক মাসে অস্বাভাবিক ওজন কমে যাওয়া, বুক জ্বালাপোড়া, খাওয়ার পর বমি এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো হজমজনিত সমস্যাও সতর্কতার লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পান, জর্দা, সিগারেট ও বিড়িসহ তামাকজাত পণ্যের নিয়মিত বা অতিরিক্ত ব্যবহার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আধা সেদ্ধ, অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও দীর্ঘদিন বেশি প্রিজারভেটিভযুক্ত খাবার গ্রহণের সঙ্গেও ঝুঁকির সম্পর্ক রয়েছে। এন্ডোস্কোপি ও বায়োপসির মাধ্যমে রোগ শনাক্ত করা হয়; রোগের ধরন ও পর্যায় অনুযায়ী অস্ত্রোপচার, কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি দেওয়া হতে পারে।