বাংলাদেশের ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বেশ কিছু পণ্যের ওপর কর ও শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। সিগারেটের সব স্তরের মূল্যসীমা বাড়ানো ছাড়াও সিগারেট ফিল্টারের কাঁচামালে ৩০০ শতাংশ এবং নিকোটিনে ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে উৎপাদিত অ্যালকোহলে লিটারপ্রতি ৫০০ টাকা ভ্যাট এবং দেশীয় মদের উৎপাদন পর্যায়ে প্রতি লিটারে ৫০০ টাকা সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। কাজুবাদাম আমদানির শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকায় এর বাজারদর বাড়তে পারে।
বিলাসবহুল পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলচালিত গাড়ির করভারও বাড়ানো হচ্ছে, বিশেষ করে ১২০০ থেকে ১৬০০ সিসি ক্ষমতার গাড়ির করহার বৃদ্ধি ও অগ্রিম আয়কর দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে করভার কমানোর প্রস্তাব রয়েছে। বর্তমানে ৯৩ শতাংশ করহার কমিয়ে ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত দামের ইভিতে ৬৪ শতাংশ এবং ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত দামের ইভিতে ৮০ শতাংশ করহার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইভি নিবন্ধন ও ফিটনেস নবায়নের সময় অগ্রিম করও কমানো হতে পারে।
এ ছাড়া রড ও ইস্পাতজাত কিছু পণ্যে নির্দিষ্ট ভ্যাট বাড়ানো, আমদানি করা পাঙাশ ফিশ ফিলেটে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, হেলিকপ্টারের ওপর বার্ষিক অগ্রিম আয়কর এবং জুয়ার আয়ের ওপর করহার ২০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাবও রয়েছে।