আন্তর্জাতিক দাতারা বার্লিনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সুদানের জন্য ১.৩ বিলিয়ন ইউরো (১.৫ বিলিয়ন ডলার) মানবিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই সংঘাতকে “একটি মর্মান্তিক মাইলফলক” হিসেবে বর্ণনা করে যুদ্ধের অবসান দাবি করেন এবং সতর্ক করেন যে এর প্রভাব পুরো অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। এপ্রিল ২০২৩ সালে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ মানবিক সহায়তার প্রয়োজন এবং ৪৫ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
বার্লিন সম্মেলনে প্রায় এক ডজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ৬০টিরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। বৈঠকের লক্ষ্য ছিল তহবিল সংগ্রহের পাশাপাশি স্থবির হয়ে পড়া শান্তি আলোচনাকে পুনরুজ্জীবিত করা, যদিও যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈঠকটিকে “ঔপনিবেশিক তত্ত্বাবধানমূলক পদ্ধতি” বলে সমালোচনা করে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে খার্তুমের সঙ্গে পরামর্শ না করার অভিযোগ তোলে। আফ্রিকান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদ আলি ইউসু তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান এবং বেসামরিক গোষ্ঠীগুলোর ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দেন।
আয়োজক দেশ জার্মানি ২১২ মিলিয়ন ইউরো (২৫০ মিলিয়ন ডলার) সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়, যা মানুষের কষ্ট লাঘব ও জীবন রক্ষায় সহায়তা করবে বলে জানানো হয়।