২০২৬ সালের ১১ এপ্রিল ‘আমার দেশ’-এ প্রকাশিত এক প্রবন্ধে বাংলাদেশের সমসাময়িক ভাষা ও সংস্কৃতিতে গালির মনস্তত্ত্ব এবং জেন-জির ভাষা বিদ্রোহ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে ‘জুলাইয়ের গ্রাফিতি ও গাইল সমগ্র’ বইটিকে এক উত্তাল সময়ের ভাষিক ও সাংস্কৃতিক দলিল হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেখানে ভাষা কেবল যোগাযোগ নয়, বরং প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণ প্রজন্মের ব্যবহৃত ‘গাইল’ ভাষা রাজনৈতিক স্থবিরতা ও সামাজিক ভণ্ডামির বিরুদ্ধে এক সৃজনশীল প্রতিবাদ। মনোবিজ্ঞান ও সমাজতত্ত্বের আলোকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, গালি মানুষের আবেগ, হতাশা ও প্রতিরোধের প্রতীক। ফ্রয়েড, ফুকো ও বুর্দিয়ুর তত্ত্বের আলোচনায় দেখানো হয়েছে, কীভাবে ভাষা ক্ষমতার কাঠামো ভেঙে নতুন অর্থ তৈরি করে।
প্রবন্ধের উপসংহারে বলা হয়েছে, জেন-জির এই ভাষা ব্যবহার কেবল অশালীনতা নয়, বরং এক প্রজন্মের সৃজনশীল ম্যানিফেস্টো। এটি বাংলাদেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চেতনার বিবর্তনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা নির্দেশ করে।