নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দমনে গত পাঁচ দিন ধরে জেলাব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে পাঁচ শতাধিক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন এ তথ্য জানান। মাইজদী, বেগমগঞ্জের চৌমুহনীসহ বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর এলাকায় এ অভিযান চলছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারাবাহিক অভিযানে ৪৬৯ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নোয়াখালীর নয়টি উপজেলায় প্রায় অর্ধশত কিশোর গ্যাং রয়েছে এবং শুধু নোয়াখালী পৌর এলাকায় রয়েছে প্রায় ২৫টি গ্রুপ। এনটিএস, বিটিআর ও কেটিজিসহ বিভিন্ন নামে পরিচালিত কিছু গ্রুপ প্রকাশ্যে এবং কিছু ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবে সক্রিয় বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তাদের একাংশের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, সংঘর্ষ, ইভ টিজিং, মাদক কারবারসহ নানা অপরাধে জড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় অধিকাংশ আটক কিশোরকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ বা মামলা রয়েছে, তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পাবলিক প্রসিকিউটর শাহাদাত হোসেন কাউন্সিলিং, আইনি পরামর্শ এবং পরিবার-সমাজের সচেতনতার ওপর জোর দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পারিবারিক দূরত্ব, খারাপ সঙ্গ, মাদকের সহজলভ্যতা ও গ্যাংয়ের প্রভাবকে ঝুঁকির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।