Web Analytics
ঋণ ও আমানতের সুদহারের গড় ব্যবধান বা স্প্রেড সর্বোচ্চ ৪ শতাংশে রাখার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অধিকাংশ ব্যাংক মানতে পারেনি। নির্দেশনা জারির দুই মাস পর গত আগস্টে ৫৬টি ব্যাংকের স্প্রেড নির্ধারিত সীমার বেশি ছিল। ক্রেডিট কার্ড ও ভোক্তা ঋণ বাদে ব্যাংক খাতের গড় স্প্রেড ছিল ৫.৫৭ শতাংশ এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর গড় ছিল ৮.২০ শতাংশ।

ঋণের সুদহার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে গত জুনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সীমা নির্ধারণ করে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছিল, অনেক ব্যাংক আমানতের তুলনায় ঋণের সুদহার বেশি রাখায় ব্যবধান বাড়ছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের প্রবৃদ্ধিতে বাধা দিচ্ছে। ব্যাংকসংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যাপ্ত তারল্য থাকা ব্যাংকগুলোরও ঋণ বিতরণ খুব বেশি বাড়ছে না এবং আগে দেওয়া ঋণ ও সংগৃহীত আমানতের সুদহারের ব্যবধান দ্রুত কমানো কঠিন।

রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের পাঁচটি, বেসরকারি ৪৩ ব্যাংকের ৪০টি এবং বিশেষায়িত দুই ব্যাংক সীমা অতিক্রম করেছে। বিদেশি খাতের নয়টি ব্যাংকের কোনোটিই সীমার মধ্যে ছিল না; স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের স্প্রেড ছিল সর্বোচ্চ ৯.৭৩ শতাংশ। কেবল এবি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, বিডিবিএল, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ৪ শতাংশের মধ্যে থাকতে পেরেছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।