বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে বাটেক্সপো ২০২৬, হংকং রোডশো ও পোশাক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তাঁর মতে, আগামী তিন থেকে চার মাস পর সংকটের প্রকৃত প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে।
তিনি বলেন, একটি কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া যায় না। পাইপলাইনে থাকা অর্ডার শেষ করা, শ্রমিকদের আইনগত পাওনা পরিশোধ এবং ব্যাংকের দায়-দায়িত্বসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় কয়েক মাসের পরিকল্পনা লাগে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ডাইং, ওয়াশিং ও অন্যান্য ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ কারখানা বেশি সমস্যায় পড়েছে; উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে এবং সময়মতো পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানির চাপ বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠকের পর গ্যাস সরবরাহ কিছুটা উন্নত হয়েছে বলেও তিনি জানান।
দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তায় আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ও স্থলভিত্তিক এলএনজি স্টোরেজের দাবি জানিয়েছে বিজিএমইএ। সংগঠনটি সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণ ও কম সুদের গ্রিন ফাইন্যান্সের ওপরও জোর দিয়েছে। আগামী ১৮ ও ১৯ নভেম্বর ঢাকায় বাটেক্সপোর রজতজয়ন্তী সংস্করণ হবে; বাজার সম্প্রসারণে হংকং রোডশো এবং জাপান ডেস্ক চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।