প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের ‘প্রবাসী কার্ড’ আগামী মাসের আগস্টের মাঝামাঝি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, কার্ডটির উদ্দেশ্য প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি, আর্থিক প্রণোদনা এবং ডুয়াল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিত করা।
বৈঠকে জানানো হয়, কার্ডধারীরা অন্তত ১০টি বিশেষ সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবন্দর লাউঞ্জ, বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথ, মিট অ্যান্ড গ্রিট সেবা, বিমান টিকিট ও হোটেলে ছাড়, গাড়ি বুকিং এবং চিকিৎসাসেবার সুবিধা। কার্ডধারীর মৃত্যু হলে বিনা খরচে মরদেহ দেশে আনা, প্রবাসফেরতদের পুনর্বাসন ও বীমা, এবং জমি নিবন্ধন, ইউটিলিটি সংযোগ, লাইসেন্স ও বৈদেশিক বিনিয়োগে অগ্রাধিকারও থাকবে।
প্রথম পর্যায়ে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করা হবে। ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে ৫০ হাজার এবং আগামী বছরের জুনের মধ্যে ২ লাখ কার্ড বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কার্ড-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা সব বাংলাদেশি প্রবাসীকে এ কর্মসূচির আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।