প্রায় এক বছর স্থবির থাকার পর তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। গত বছরের এপ্রিল মাসে কাশ্মীরে সংঘর্ষের সময় তুরস্কের পাকিস্তানপন্থী অবস্থানের কারণে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। এর ফলে ভারতীয় গণমাধ্যমে তুরস্কবিরোধী প্রচারণা, পর্যটন বয়কট এবং বাণিজ্যিক চাপ দেখা দেয়। সম্প্রতি ভারত তুরস্ককে দ্বাদশ দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় আমন্ত্রণ জানায়, যেখানে তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেরিস একিনচি এবং ভারতের পররাষ্ট্র সচিব সিবি জর্জ যৌথভাবে বৈঠক পরিচালনা করেন। উভয় পক্ষই গঠনমূলক সংলাপ বজায় রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
ভারত তুর্কি প্রতিষ্ঠান চেলেবি এয়ারপোর্ট সার্ভিসেসের নিরাপত্তা ছাড়পত্র বাতিল এবং এয়ার ইন্ডিয়ার রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি হ্রাসের মতো পদক্ষেপ নিলেও বাণিজ্য তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল। ২০২৫ সালে দুই দেশের বাণিজ্য ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়, যা মূলত ভারতের অনুকূলে। তুরস্কের প্রতিক্রিয়া না দেওয়ার কৌশল আলোচনার পথ খুলে দেয়।
দুই দেশ এখন নতুন সংযোগ প্রকল্পে সহযোগিতার সম্ভাবনা খুঁজছে, বিশেষ করে মিডল করিডোরে। তবে কাশ্মীর ইস্যুতে তুরস্কের অবস্থান এখনো ভারতের জন্য সংবেদনশীল রয়ে গেছে।