প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার জুলাই বিপ্লবে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে দল হিসেবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিচারে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অগ্রগতি দেখে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের আরেক ধাপ। সরকারি উপদেষ্টারা জানিয়েছেন, নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে এবং ট্রাইব্যুনালই দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করবে।
জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট অনুযায়ী, জুলাই বিপ্লবে অন্তত ১,৪০০ জন নিহত ও ৩০ হাজারের বেশি আহত হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। বর্তমান বিএনপি সরকার সেই ধারাবাহিকতায় সন্ত্রাসবিরোধী বিল পাস করে এবং দলটির বিচারে দৃঢ় অবস্থান নেয়। বিশ্লেষকরা এটিকে জনদাবি পূরণ ও নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।
বিশেষজ্ঞরা সরকারের সদিচ্ছাকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করলেও বিচার প্রক্রিয়ার ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, বিলম্ব হলে জনঅসন্তোষ বাড়তে পারে এবং বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন।