ডাকসুর সহসভাপতি সাদিক কায়েম ৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক লেখায় জুলাই বিপ্লবের সময় নীতিনির্ধারণ, মাঠপর্যায়ের সমন্বয় এবং আন্দোলন পরিচালনার নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, প্রথম সারির বহু সমন্বয়ক অনুপস্থিত থাকায় দ্বিতীয় সারির সমন্বয়কদের নিরাপদ স্থানে রাখা, বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং কর্মসূচি প্রচারের দায়িত্ব পালন করা হয়। ১৯ থেকে ২৪ জুলাই ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মধ্যে ফোন ও হার্ড কপির মাধ্যমে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিদিনের কর্মসূচি পাঠানো হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
কায়েমের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৬ জুলাই নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার পর সমন্বয়কদের নিরাপদ স্থানে সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। হাসপাতাল থেকে আব্দুল হান্নান মাসুদদের বের করে আনতে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের কথাও তিনি বলেছেন। তাঁর বর্ণনায়, ডকুমেন্টেশন টিম হাসপাতাল ঘুরে নিহত ও আহতদের তালিকা এবং বিভিন্ন এলাকার ঘটনার ছবি সংগ্রহ করে; পরে ২৭ জুলাই অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।
লেখায় ‘মার্চ ফর জাস্টিস’, ‘রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোস’, গণমিছিল এবং ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির পরিকল্পনা ও ঘোষণার বিবরণও রয়েছে। কায়েম বলেন, ৪ আগস্টের পরিস্থিতিতে আলোচনার পর ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ৬ আগস্টের বদলে ৫ আগস্টে আনার সিদ্ধান্ত হয়। তাঁর দাবি, পরদিন ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে এলে শেখ হাসিনা দুপুরের আগেই দেশ ছেড়ে চলে যান।