ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও স্মরণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেশজুড়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তেহরানের ‘সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’-এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো আব্বাস আসলানি আলজাজিরাকে বলেন, এই আয়োজন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের দাবি উঠতে পারে। তিনি জানান, অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক স্লোগান ‘আমাদের জেগে উঠতে হবে’—এর মাধ্যমে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, হত্যাকাণ্ডের পরও ইরানের নীতি ও ধারাবাহিকতায় কোনো পরিবর্তন আসেনি।
আসলানি বলেন, এই দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সাধারণ ইরানিদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন মুহূর্ত, যেখানে তারা তাদের নেতাকে বিদায় জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে এই সমাবেশ থেকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের জোরালো দাবি উঠতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, খামেনি ছিলেন এমন এক অবিচল নেতা যিনি আন্তর্জাতিক চাপ প্রতিহত করে ইরানের প্রতিরক্ষা ও স্বাধীনতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দেয়, এই জানাজা ইরানে ঐক্য ও পশ্চিমবিরোধী মনোভাব আরও জোরদার করতে পারে।