সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে এসআরবি-৬-এর জোরদার তৎপরতার মুখে আলিফ বাহিনীর ১৫ সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছেন। শুক্রবার আব্দুল্লাহ গ্রুপের আটজন এবং মজিদ গ্রুপের সাতজন সদস্য এসআরবি-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। শনিবার খুলনা সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসআরবি-৬ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ এবং হাজার হাজার জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালের জীবিকার ভিত্তি। দীর্ঘদিন ধরে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং অন্যান্য অপরাধ বনজীবী ও স্থানীয় মানুষের জন্য হুমকি ছিল। ধারাবাহিক অভিযান ও সরকারি পুনর্বাসন উদ্যোগে অতীতে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছিলেন।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন কিছু দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং আগে আত্মসমর্পণকারীদের কারও পুনরায় অপরাধে জড়ানোর তথ্য পাওয়া যায়। জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনাও সামনে আসে। এ পরিস্থিতিতে এসআরবি-৬ গোয়েন্দা নজরদারি ও সাঁড়াশি অভিযান বাড়ায়। সংস্থাটি জানিয়েছে, আত্মসমর্পণকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।