চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬তম সিনেট সভা আগামী ৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও নীতিগত বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ এই সভায় কোনো ছাত্র প্রতিনিধি থাকছেন না। বর্তমানে সিনেটের আচার্য মনোনীত পাঁচ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং ৩৩ শিক্ষক প্রতিনিধির মধ্যে বর্তমানে থাকা ২৪ জনকে আওয়ামীপন্থি বলে জানা গেছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৭৩-এর ২২ ধারা অনুযায়ী সিনেটে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, সরকারি কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, শিক্ষাবিদ, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, অধিভুক্ত কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণির সদস্য থাকার কথা। সর্বশেষ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন হয় ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল; তখন হলুদ দল ৩৩টি পদেই জয় পায় এবং সাদা দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি। নির্বাচিত সদস্যদের মেয়াদ তিন বছর হলেও নতুন নির্বাচন না হওয়ায় পুরোনো প্রতিনিধিরাই দায়িত্বে আছেন।
রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের ২৫ প্রতিনিধি নির্বাচনের সর্বশেষ ভোট হয় ১৯৮৬ সালে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে পাঁচ প্রতিনিধি নির্বাচনও হয়নি। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন আয়োজনের সময় কম ছিল এবং স্পিকার মনোনীত পাঁচ সংসদ সদস্য নতুন যুক্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, চাকসু নির্বাচনের সময় ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন না হওয়ায় বর্তমান চাকসু সদস্যরা সিনেটে অংশ নিতে পারবেন না; নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণযোগ্য শ্রেণিগুলোতে সামনে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা আছে।