একটি মতামতধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকের সুপারিশভিত্তিক অ্যালগরিদম অল্প সময়ের অবসরকে দীর্ঘ অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে পরিণত করতে পারে। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর লেখা নিবন্ধটি যুক্তি দিয়েছে, প্রযুক্তি সময় বাঁচাতে সক্ষম হলেও ব্যবহারকারীর পছন্দ, অনুসন্ধান ও দেখার অভ্যাস অনুযায়ী ধারাবাহিক কনটেন্ট দেখাতে গিয়ে এটি সময়ের মূল্য ভুলিয়ে দিতে পারে।
লেখক সময়কে ইসলামী শিক্ষার আলোকে দায়িত্ব, আমল ও জবাবদিহির সঙ্গে যুক্ত করেছেন এবং সুরা আল-আসর ও সুস্থতা-অবসর বিষয়ে একটি হাদিসের উল্লেখ করেছেন। নিবন্ধে বলা হয়, তথ্য সংগ্রহ, শিক্ষা ও যোগাযোগে প্রযুক্তি উপকারী। তবে উদ্দেশ্যহীন স্ক্রলিং, অনলাইন বিতর্ক, অন্যের জীবন নিয়ে অতিরিক্ত কৌতূহল এবং ক্ষণস্থায়ী বিনোদন পড়াশোনা, পারিবারিক সম্পর্ক, ইবাদত ও আত্মোন্নয়নের সময় কমিয়ে দিতে পারে।
প্রযুক্তি বর্জনের পরিবর্তে সচেতন ও সংযত ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য সময় নির্ধারণ, সালাত ও পড়াশোনার সময় ফোন দূরে রাখা এবং প্রতিদিন কোরআন পাঠ, জ্ঞানচর্চা ও আত্মসমালোচনায় সময় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। লেখাটির মতে, অ্যালগরিদম মনোযোগ ধরে রাখতে পারে, কিন্তু জীবনের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে পারে না।