ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয়। বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের ২০ শতাংশ এই রুট দিয়ে পরিবহন হয়। এর ফলে তেলের দাম বেড়ে যায় এবং এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কারণ তাদের ৯০ শতাংশ তেল ও গ্যাস এই পথেই আসে। জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন সরকার কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজের অনুমতি, কর্মসপ্তাহ কমানো ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের মতো পদক্ষেপ নিয়েছে।
ভারতে গ্যাসের ঘাটতিতে গুজরাতের সেরামিক শিল্প বন্ধ হয়ে পড়েছে এবং মুম্বাইয়ের বহু রেস্তোরাঁ আংশিকভাবে বন্ধ হয়েছে। ফিলিপাইন জ্বালানি সংকটের কারণে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। থাইল্যান্ডে নাগরিকদের শক্তি সাশ্রয়ের আহ্বান জানানো হয়েছে, শ্রীলঙ্কা বুধবারকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে, আর মিয়ানমার বিকল্প দিনের গাড়ি ব্যবহারের নীতি চালু করেছে।
এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মানুষ দীর্ঘ লাইনে জ্বালানি সংগ্রহ করছে, আয় কমে গেছে এবং অনিশ্চয়তা বাড়ছে। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সংকট ও সামাজিক অস্থিরতা আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।