জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর ৬৫ বছর বয়সী হালিমার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করেন স্বজনরা। শনিবার সকালে অসুস্থতাজনিত কারণে তার মৃত্যু হলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। সন্ধ্যার পর পরিবারের কয়েকজন সদস্য দাবি করেন, হালিমার ছেলে ও মেয়ের ওপর ‘জিনের আসর’ হয়েছে এবং তাদের মাধ্যমে বার্তা এসেছে যে তিনি মারা যাননি।
ওই দাবির ভিত্তিতে রাত ৮টার দিকে স্বজনরা কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করেন। মরদেহটি প্রথমে মেলান্দহে নেওয়া হলেও নিশ্চিত হতে না পেরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে জামালপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্র অনুযায়ী, ইসিজিসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক হালিমাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি এলাকায় ফিরিয়ে নিয়ে রাত দেড়টার দিকে পুনরায় দাফন করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বাহাদুর মিয়া রোববার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং হাসপাতালের চিকিৎসকরাও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি। মেলান্দহ থানার ওসি এ.টি.এম. মাহমুদুল হক বলেন, পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়নি; জানানো হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেত।