দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন অবলম্বনে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, শান্তি, সংলাপ ও গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠস্বর হিসেবে ভারতের ঘোষিত অবস্থানের সঙ্গে প্রতিবেশীদের প্রতি তার আচরণ সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না। নেপালের সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রসঙ্গে এতে অভিযোগ করা হয়েছে, ভারতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো সেখানে তৎপরতা বাড়িয়েছে এবং সুনসারিতে হিন্দু ধর্মীয় শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে সহিংসতার পর সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়িয়েছে। ২০১৫ সালের সাংবিধানিক সংকটেও নেপালের ওপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নিবন্ধটি হিন্দুধর্ম ও হিন্দুত্বের রাজনৈতিক ধারণার মধ্যে পার্থক্য করেছে। এতে বলা হয়েছে, হিন্দুত্ব ভারতীয় জাতিসত্তা নির্ধারণে হিন্দু পরিচয়কে অগ্রাধিকার দেয়। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ২০২৬ সালের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে মুসলমানবিরোধী বিদ্বেষমূলক প্রচারণা, বৈষম্যমূলক নীতি, মুসলিমদের বাড়িঘর ও সম্পত্তি বেআইনিভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং খ্রিষ্টানসহ অন্য সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার কথা বলা হয়েছে। রাজস্থান ও উত্তর প্রদেশে মসজিদ ভাঙার ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।
এতে পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত, ৩১ আগস্টের সালিসি রায় প্রত্যাখ্যান এবং ২০১৬ সালের পর সার্ক অচল থাকার বিষয়েও সমালোচনা করা হয়েছে। নিবন্ধটি আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগের কথা উল্লেখ করে কাবুল-ইসলামাবাদ উত্তেজনা কমাতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। উপসংহারে বলা হয়েছে, পানি, বাণিজ্য, নিরাপত্তা, সংখ্যালঘু অধিকার ও সার্বভৌমত্বের বাস্তবতায় ভারতের নীতিবাক্য বিচার করা হবে।