কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের দশ বছর পর তিনজনের ডিএনএ প্রোফাইল পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সোমবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম আদালতে আবেদন করলে ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক জাহাঙ্গীর আলমের ডিএনএ প্রোফাইল তনুর পোশাকে পাওয়া নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার অনুমতি দেন।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে তার লাশ সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে একটি জঙ্গলে পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ দশ বছরে থানা পুলিশ, ডিবি ও সিআইডি তদন্ত করেও মামলার রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি।
২০২০ সালের অক্টোবরে মামলাটি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে পিবিআই পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আদালতে উপস্থিত তনুর বাবা নতুন সরকারের কাছে মেয়ের হত্যার বিচার চেয়েছেন।