যুক্তরাষ্ট্রের গঠিত তিন সদস্যের একটি আন্তর্জাতিক প্যানেল ২০২২ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ভারতের আসাম ও উত্তর প্রদেশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা অপরাধ পর্যালোচনা করে ৩১ মার্চ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ও পরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ এবং নিপীড়ন, নির্যাতন ও নির্বাসনসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে বিশ্বাসের যুক্তিসংগত কারণ থাকার কথা বলা হয়েছে।
প্যানেলের যুক্তরাষ্ট্রের সদস্য স্টিফেন জে. র্যাপ ৭ মে ২০২৬ সালে ইউএস কমিশন ফর ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডমের ভারতবিষয়ক শুনানিতে লিখিত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, আসাম ও উত্তর প্রদেশে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্বিচার গ্রেপ্তার, আটক ও নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ পর্যালোচনায় এসেছে। সূত্রে বলা হয়েছে, কথিত ‘এনকাউন্টার কিলিং’-এ মুসলমানদের সংখ্যা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বেশি এবং আসামে জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও ‘পুশব্যাক’-এর অভিযোগও রয়েছে।
র্যাপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণসহিংসতার আগে অমানবিকীকরণ, উসকানি এবং বৈষম্যমূলক প্রশাসনিক পদক্ষেপ দেখা দিতে পারে। সূত্র অনুযায়ী, জেনোসাইড ওয়াচ আসামের মুসলমানদের পরিস্থিতিকে তাদের ১০ ধাপের প্রক্রিয়ায় ‘পর্যায় ৭: প্রস্তুতি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।