প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ কোনো প্রার্থী ১ অক্টোবর পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুততম সময়ে পর্যায়ক্রমে তা পাঠানো হবে। শনিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ বিষয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। মন্ত্রণালয় বলেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ভেরিফিকেশন বা ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।
শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার তাগিদ দেন। বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ জেসমিন নাহার, অতিরিক্ত সচিব মনোয়ারা ইশরাত ও মোখলেসুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আসিফ আহমেদের স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়।