২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর রোকন উদ্দিনের লেখা একটি বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রথম জাতীয় সংসদের সদস্য চিত্তরঞ্জন সুতারের রাজনৈতিক ভূমিকা ও বিতর্কিত অতীত পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। লেখায় বলা হয়, সুতারের বিরুদ্ধে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের কিছু অংশ নিয়ে ‘বঙ্গভূমি’ নামে পৃথক হিন্দু রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ বহুবার উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ভারত ও মুজিবনগর সরকারের মধ্যে সংযোগ রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
নিবন্ধে বলা হয়, সুতারের রাজনৈতিক উত্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগঠনের দুর্বলতা ও বিদেশি প্রভাব মোকাবিলায় শৈথিল্যের প্রতিফলন। লেখক মনে করেন, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বৈঠক ও সরকারি প্রতিবেদনে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ প্রমাণ করে যে বিষয়টি রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্ব পেয়েছিল।
শেষাংশে নিবন্ধটি সতর্ক করে যে চিত্তরঞ্জন সুতার কেবল একজন ব্যক্তি নন, বরং অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রের প্রতীক। সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি রাজনৈতিক সততা ও জাতীয় আনুগত্যের কঠোর মানদণ্ড বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।