বাংলাদেশ সরকার বিদ্যমান জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ চক্র চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ১ জুলাই ২০২৭ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত নয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন বছর হিসেবে বিবেচনার আলোচনা চলছে। তবে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও কর বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন, নতুন ব্যবস্থা জানুয়ারি-ডিসেম্বর ক্যালেন্ডার বছরভিত্তিক কেন করা হচ্ছে না।
সরকার বলছে, এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর হলে মে, জুন ও জুলাইয়ের তীব্র বর্ষার আগেই বড় অবকাঠামো ও নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব হবে; এতে কাজের মান বজায় থাকবে এবং জনদুর্ভোগ কমবে। অর্থবছরের শেষ দিকে অর্থ ব্যয়, অননুমোদিত দায় সৃষ্টি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও পরিবর্তনের আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অধিকাংশ বহুজাতিক কোম্পানির হিসাববছরের সঙ্গে মিলিয়ে জানুয়ারি-ডিসেম্বর চক্র করলে কর পরিপালন সহজ হতো।
অর্থবছর পরিবর্তন-সংক্রান্ত কমিটি প্রথম বৈঠক করেছে এবং নয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার কাছে তথ্য ও মতামত চেয়েছে। কমিটি সংবিধান ও আইনি সংশোধন, কর ও রাজস্ব পরিবর্তন, আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রযুক্তিগত সংশোধন এবং দাতা সংস্থার ঋণ-অনুদানের হিসাব সমন্বয়ের বিষয় পর্যালোচনা করছে। মতামত পাওয়ার পর নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কমিটির বৈঠকের কথা রয়েছে।