কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্ভাব্য হুমকির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্ক থেকে ফেরার পথে গোপনে বিমান বদল করেন। ৮ জুলাই আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের সফর শেষে তিনি ও কয়েকজন সহযোগী বড় এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে খাবার বহনকারী গাড়িতে করে সরে যান এবং একটি ছোট সি-৩২এ সরকারি বিমানে ওঠেন। এয়ার ফোর্স ওয়ান আলাদাভাবে উড়ে যায়।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, আঙ্কারায় সফরের শেষ দিনে এয়ার ফোর্স ওয়ানকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকির খবর আসে। যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস হুমকিটিকে বিশ্বাসযোগ্য ও তাৎক্ষণিক মনে করে ট্রাম্পের অবস্থান ও চলাচল গোপন রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা অভিযান চালায়। নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ট্রাম্পের অবস্থান এবং হোটেলের তলা সম্পর্কে ইরানিরা জেনে যেতে পারে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন ছিলেন।
ঘটনাটি প্রকাশের পর ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ইরানি দূতাবাসের এক্স অ্যাকাউন্টে ট্রাম্পকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মিম ছড়ানো হয়। তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান বদল নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি এবং হোয়াইট হাউসের তাৎক্ষণিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। সূত্রে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিয়ে মতবিরোধও অব্যাহত রয়েছে।