ইরানি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর তিন পাইলটকে জীবিত আটক করার ইরানি দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে কাতার। ১৬ আগস্ট কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের উপদেষ্টা মাজেদ আল-আনসারি এক্সে দেওয়া পোস্টে অভিযোগটিকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যে এমন দাবি ছড়ানো বিস্ময়কর।
আল-আনসারির ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানি পাইলটরা কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘন করার পর এবং বিমানের গতিপথ নিশ্চিত হওয়ার পর কাতারি কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে। যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হলে নিয়োজিত বাহিনী আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ভূখণ্ড রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। ঘটনার পর কাতারের অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পাইলটদের খুঁজতে অভিযান চালায় এবং একজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
কাতার বলেছে, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে তারা ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করেছে। এপ্রিল মাসে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে সরাসরি জানার জন্য ইরানকে একটি দল পাঠানোর আমন্ত্রণ দেওয়া হলেও তেহরান এখনো সাড়া দেয়নি। এর আগে ইরান দাবি করেছিল, ২ মার্চ কাতারের একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার সময় দুটি এসইউ-২৪ ভূপাতিত হওয়ার পর তিন পাইলটকে জীবিত আটক করা হয়।