আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা চালাচ্ছে, যদিও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এ দাবি অস্বীকার করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্পের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা কমাতে এসব ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আলজাজিরার তথ্যমতে, মিসর, তুরস্ক ও পাকিস্তান গোপনে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের ভূমিকা রাখছে, তবে বিশেষজ্ঞরা যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে সন্দিহান।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এখন শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, বরং যুদ্ধ-পরবর্তী এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় যা মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমে তাদের প্রভাব বাড়াবে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দাবি, ইরানের সামরিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ইরান এখনো লক্ষ্যভেদী হামলা চালাতে সক্ষমতা দেখিয়েছে। ইরান কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে এবং ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
তেহরান এখন হামলা না করার নিশ্চয়তা ও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণে নতুন কাঠামো দাবি করছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ইরান বড় ছাড় না পেলে এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না, যা ভবিষ্যৎ শান্তিচুক্তিকে জটিল করতে পারে।