সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনা এবং ক্রয়প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে মন্ত্রণালয়, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্প পরিচালকদের অর্থ ব্যয়ের ক্ষমতা বাড়িয়েছে অর্থ বিভাগ। এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানভেদে ক্রয় কমিটির অনুমোদন ছাড়াই ব্যয়ের সীমা দুই থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
নতুন নিয়মে উন্নয়ন প্রকল্পে পূর্তকাজ, নির্মাণ চুক্তি এবং পণ্য, যন্ত্রপাতি ও মালামাল কেনায় মন্ত্রণালয় বা বিভাগ সর্বোচ্চ ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবে; আগে এ সীমা ছিল ৫০ কোটি টাকা। পরিচালন বাজেটে পূর্তকাজে সীমা ১০০ কোটি এবং পণ্য ক্রয়ে ৫০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগে মন্ত্রণালয়ের সীমা ১০ কোটি থেকে ২০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।
সংস্থার নির্বাহী প্রধানদের পূর্তকাজে ব্যয়সীমা ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটি এবং পণ্য ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে সাত কোটি থেকে ২০ কোটি টাকা করা হয়েছে। প্রকল্প পরিচালকদের ক্ষমতাও প্রকল্পের আকার অনুযায়ী তিন শ্রেণিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ ও সাবেক অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক বললেও অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।