বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি হামলার পর ইরান পাল্টা আঘাত চালিয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তেহরান জানিয়েছে, এটি তাদের নতুন নেতৃত্বের অধীনে গৃহীত কৌশলগত নীতির অংশ, যেখানে কঠোর প্রতিশোধমূলক অবস্থানকে টিকে থাকার মূল চাবিকাঠি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে ইরান সতর্ক করেছিল, ইসরাইল যদি বৈরুতে হামলা চালায়, তবে আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের নতুন শাসকরা এই হামলার মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে এবং যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার প্রস্তুতি দেখাতে চায়। তারা হিজবুল্লাহকে রক্ষার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে বৈরুতে হামলা না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং পরে উভয় পক্ষকে সংযমের আহ্বান জানান।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইরানের এই পদক্ষেপ ট্রাম্প ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সম্পর্ক পরীক্ষা করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ কৌশলের বিরুদ্ধে তেহরানের প্রতিরোধকে জোরদার করছে।