Web Analytics
চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার ফার্নেস অয়েল দিয়ে অতিরিক্ত ৪,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাসে তেলচালিত কেন্দ্র থেকে দৈনিক গড়ে এই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কাছে চাহিদা জানিয়েছে। গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ থাকায় শিল্পকারখানা ও সাধারণ মানুষকে লোডশেডিং থেকে রক্ষাই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে চাহিদামতো এলএনজি আমদানি না হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩,৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, বিপরীতে সর্বোচ্চ সরবরাহ ২,৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিপিসি মাসে সর্বোচ্চ এক লাখ টন ফার্নেস অয়েল আমদানি করতে পারে। নতুন করে ২ লাখ ৪১ হাজার টনের ক্র্যাশ চাহিদা তৈরি হয়েছে; বিপিসি এক লাখ টন আমদানি পাইপলাইনে রেখেছে এবং স্থানীয় উৎস থেকে ২৫ হাজার টন সংগ্রহ করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফার্নেস অয়েলনির্ভর বিদ্যুৎ রাষ্ট্রের আর্থিক চাপ বাড়াবে। দেশীয় গ্যাসে প্রতি ইউনিট উৎপাদন ব্যয় চার থেকে সাত টাকা হলেও ফার্নেস অয়েলে শুধু জ্বালানি খরচ ২০ টাকার বেশি এবং মোট ব্যয় ২৫ থেকে ২৭ টাকা ৩৬ পয়সা। একজন বিশ্লেষক অক্টোবরের শেষে চাহিদা কমার আশা করে গ্যাস অনুসন্ধান, ভোলার গ্যাস গ্রিডে আনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।