বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত সরকার ব্যাংক খাত থেকে ৯৮ হাজার ৫২৬ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার ৯৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ। রাজস্ব আয়ে বড় ঘাটতির কারণে এই ঋণগ্রহণ বেড়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে শুল্ক ও কর আদায়ে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা।
খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জাতীয় নির্বাচন ব্যয়, জ্বালানি খাতে ভর্তুকি এবং পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সরকারের ব্যয় বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী বলেন, অর্থবছর শেষ হতে এখনো তিন মাসের বেশি বাকি থাকলেও সরকার ইতোমধ্যে ব্যাংক থেকে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৫ শতাংশ ঋণ নিয়েছে, যা নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, রাজস্ব আয়ের তুলনায় ব্যয় বাড়লে ঋণের ওপর নির্ভরতা অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, সঠিক নীতিমালা গ্রহণ ও কর্মসংস্থান বাড়ানো জরুরি, যাতে অতিরিক্ত ঋণনির্ভরতা কমানো যায়।