ইরানে চলমান সামরিক পরিস্থিতির কারণে তাইওয়ানের জন্য নির্ধারিত প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব হাং কাও এক সিনেট শুনানিতে জানান, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ সামরিক অভিযান ‘এপিক ফিউরি’র জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রশাসন প্রয়োজন মনে করলে বিক্রি পুনরায় চালু হবে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো স্থগিতাদেশ বা পরিবর্তনের বিষয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানে না। স্থগিত হওয়া প্যাকেজে লকহিড মার্টিনের পিএসি-৩ এবং সারফেস-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা কয়েক মাস ধরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির বিরোধিতা করে আসছে। শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেন, এই ইস্যুটি যুক্তরাষ্ট্র-চীন আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ দরকষাকষির উপাদান হতে পারে। অন্যদিকে, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সহায়তাকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য বলে মনে করেন।